বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০১১

এত ভালোবাসি এত যারে চাই

ফেইসবুকে আমাকে এ্যাড পাঠালো সবুজ। আমি তার প্রোফাইল দেখলাম ৯৯৯ টা বন্ধু, আমার খুব প্রিয় ক’জন বন্ধুর মিচ্যুয়াল বন্ধু বলে আমি সবুজ কে এ্যাড করলাম। সবুজের সাথে প্রথম চেটিং করার দিন আমি তাকে বললাম ‘আমি আপনার নতুন বন্ধু’। বললো ফাইন। আপনার এতগুলি বন্ধু আপনি আমাকে কেমন করে মনে রাখবেন? বললো কঠিন প্রশ্ন।
তবু আমাদের প্রায় প্রতিদিন চেটিং এ কথা হতে থাকে। আমি ভীষন কবিতা পছন্দ করি, সবুজ আমাকে অনেক কবিতা লিখতো। দারুন সব কবিতা গুলো, আমি দিন-দিন ওর কথা ওর মানষিকতা ওর ছবি ওর হাসি সব দেখে দেখে মুগ্ধ হতে থাকলা্ম। পরিচয়ের পর সবুজ আমাকে নিয়ে অনেক স্ট্যাটাস দিত। আমার ভীষন ভাল লাগতো। সবুজের অনেক কিছুই ভাল লাগার মত।
সবুজের সাথে আমার যখন পরিচয় হয় তখন আমার জীবনের কিছু চড়াই-উতড়াই পার করে যাচ্ছিলাম। সবুজ খুব সুন্দর করে বোঝাতেও পারে, মন ভাল করে দিতে পারে। বোকা দিতে পারে। সবুজকে আমার মোবাইল নাম্বার দিলাম ইনবক্সে, ভাবলাম হয়তো ফোন করবে। কিন্ত করেনি... অনেকদিন অপেক্ষা করলাম। সেই ম্যাসেজের কোন উত্তরও দেয়নি এমনকি ফোন করার বিষয়ে কোন কথাও সবুজ বলেনি।আমি একদিন এই প্রসঙ্গ তুলতেই সবুজ বললো ও নাকি ভাল মোবাইল ইউজার না। আমি মেনে নিলাম।পরক্ষনেই সবুজ ওর নাম্বার দিল আমাকে। কথা হলো কিছুক্ষন। কথার মানুষটি যেন অন্য, তবু আমি তাকে চিনি। মাঝে-মাঝে মোবাইলে এস আম এস আসতো যে আমি যেন অনলিনাইনে আসি, সবুজ অপেক্ষা করে বসে আছে।
সবুজ মাঝে-মাঝে বলতো ধানমন্ডির লেকে বৃষ্টিতে ভিজে-ভিজে দু’জন চা খাবো একসাথে। যদি সত্যি দেখা করার কথা বলতাম সবুজ বলতো, ‘দেখা নাই হলো ম্যাডাম’। আমার খুব ইচ্ছে করতো একটু দেখি, যাকে আমি এত ভালবাসি সে কি সত্যি নাকি শুধুই কল্পনা সবটুকু? সবুজকে চমকে দেয়ার জন্য আমি সবুজের অফিসে গিয়ে হাজির হলাম একদিন। মনে-মনে একটু ভয়ও ছিলো কিভাবে নিবে সবুজ বিষয়টি? অফিসের লোকজন কি ভাবতে পারে? সাথে-সাথে মনে হলো সবুজ এসব নিয়ে ভাবেনা কখনো কিংবা সবুজ সব ম্যা্নেজ করতে পারে। ১৭ তলায় উঠে দেখি অফিসের ভিতরটা কাচেঁর দরজা দিয়ে বাহির থেকে দেখা যাচ্ছে অনেকটা। লোকজন নেই তেমন কিন্ত ঠিক দরজার কাছেই বসে কাজ করছে একটি লোক। আমি ভিতরে ঢুকে চোখ ঘুরাতেই দেখি সবুজ দূরের একটি রুমে আরেকটি লোকের সাথে কাজ করছে। আমি দরজার পাশে বসা লোকটিকে বললাম সবুজ সাহেব আছেন? লোকটি ডাকতে গেলেন, সবুজ হাসতে-হাসতে এসে সামনে এলো... সেদিনের পুরো ঘটনা নিয়ে আমি কবিতা লিখেছি।

একটি বকুল ফুল 
পড়ন্ত বিকেল বেলা, ব্যাস্ত শহর
অচেনা পথ আর তীব্র অপেক্ষা পেরিয়ে
অবশেষে, তুমি আমাকে বললে...
‘ম্যাডাম কফি খাবেন’ ?
যা সত্যি হবার কথা ছিল না
তবু এ দেখা প্রথম তা বলবো না...
এ চোখে আমি কতবার যে ভেসেছি
এ হাসিঁতে কত এলোমেলো হয়েছি
তা তোমার অজানা।
তবু তোমার দু’চোখে চোখ রাখা দায়
যেন কূলহীন সাগরে নিজেকে হারিয়ে ফেলার ভয়।।
বাস থেকে নামতে কষ্ট হবে কিনা ?
রাস্তা পারাপারের সময় বললে সামনে রিকশা,
এ পাশে দাড়ান, ওপাশে বাইক !
তোমার এত যত্ন করা, আমার আশা ছিল না
তখন আমার সমস্ত অনুভূতিতে ছিল
শুধু তোমার ভাবনা।
পাশাপাশি পথ চলা...
হঠ্যাৎ পায়ের কাছে পেলে
বকুল ফুল ঝরে থাকা
আমি জানি তা নিজের অজান্তে
আমার জন্য তুলে নেওয়া
ছোট্ট বকুল ফুল আর তার সমস্ত সুরভি
যেন তোমার কাছ থেকে পাওয়া সমস্ত পৃথিবী।
আর এ স্মৃ্তিটুকু ছুঁয়ে দেখার জন্য
একটি বকুল ফুল তার জীবন্ত অনুভূতি।
আজ চাঁদ টাও যেন কেমন, অসম্পূন !
তবু খুব কাছাকাছি আর মায়াবি
এ চাঁদ দেখে মনে হলো, কি ছিল সে চোখে ?
চলে আসার সময় ফিরে দেখি,
অন্ধকারে জলজল করে জ্বলছিল
আমাকে দেখছিল সে চোখ দু’টি...
তোমার শেষ কথাটি আমাকে
সারাটা পথ মুগ্ধ করে রেখেছিল
‘আপনি অফলাইনের চেয়ে অনলাইনে সুন্দর তা জানেন’ ?
এ দেখা প্রথম এবং শেষ কিনা জানিনা,
সাদামাটা সাধারন প্রিয় সবুজ কে বলছি...
আজ রবিবার, শুভ রাত্রি।।

সবুজ কেমন যেন পালিয়ে বেড়ায়, কিন্ত পারতোনা হয়তো। খুব মাঝে-মাঝে রাতে ফোনে কথা হত। আমি সবুজকে বলেছি ‘আমি আপনাকে ভালবাসি। আপনার ভালবাসতেই হবে তা জরুরি নয়, আমি বাসি’। তবু কোথায় যেন সবুজের বাধাঁ, হয়তো আমার মত ভাবেনা আমাকে। হয়তো এ ভালবাসা পূর্নতা পাবেনা কখনো, আমিও সবুজকে জোড় করতে পারিনা। খুব সামান্য একটা কারন ধরে সবুজকে আমি রিমুভ করে দিয়েছি ফেইসবুক থেকে। কথা হয়না, সবুজও কখনো আমাকে ফোন করেনা। কিন্ত আমি প্রতিদিন সবুজের প্রোফাইল দেখি, ওপেন রেখেছে কেন জানি। ওর ছবি দেখি, ম্যাসেজ গুলো পড়ি। খুব খুব মিস করি খুব কষ্ট পাই, তখন বুঝতে পারি আমি সত্যি সবুজকে ভালবাসি!

“এত ভালোবাসি এত যারে চাই
মনে হয় না তো সে যে কাছে নাই,
যেন এ বাসনা ব্যাকুল আবেগে
তাহারে আনিবে ডাকি”

লিখেছেন-জিহান

http://www.facebook.com/notes/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA/%E0%A6%8F%E0%A6%A4-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A6%A4-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87/159474760799348

মঙ্গলবার, ৯ আগস্ট, ২০১১

ভালবাসার অতৃপ্ততা

তাকাই তোমাতে ,
ঠোঁটে ও চিবুকে,
আরও গভীর,
নীল ও নয়নে,
বারে বারে।
এলোমেলো বাহারি কামনার তন্দ্রালু শয়নে।
---------------

কথা ছিল জোছনা রাতের নির্জনে
নগ্ন পায়ের ছাপ রেখে গহীন বিজনে ,
মুখোমুখি তাকিয়ে থাকার তোমাতে – আমাতে।
আমাতে-তোমাতে ভয়ের শৃঙ্খল ভাঙবে কামনাতে।
দু’একটি জোনাকি-ও আসবে
মধ্যরাতের তারাজ্বলা জোছনাতে কামনায় ভাসবে।
---------------
আরও অনেক-অনেক কথা ছিল—
আফ্রোদিতির রং-রুপে স্পার্টান বীরের
শৌর্যের বাড়াবাড়ির কথা ছিল ;
কিংবা পাখিদের ঠোঁটের ঘষাঘষির কথা ছিল,
তাদের প্রেমীয় চিহ্নের কথা ছিল ।
আর কিছু না হোক ভালবাসার আবেগে চোখ বোজার কথা ছিল ।

---------------------
ভালবাসায় নগ্নতার বাড়াবাড়ি,
বাড়াবাড়ি পর্যায়ের থাকার কথা ছিল ।
কিংবা হয়তোবা শুধুই হাতে-হাত
রাখার কথা ছিল ।
-------------------
অবশেষে জোছনা রাতের শেষ হল,
ছোট্ট ঘাসফুলে হয়তোবা দু’এক ফোঁটা জলও গড়িয়ে পড়ল,
কিন্তু ভালবাসার মুদ্রাটা যে অনেক আগেই .........


http://www.somewhereinblog.net/blog/firsteye/29428486

কেমন যে আছো, কেমন যে থাক তুমি কিছুতে হয় না জানা।

কেমন যে আছো, কেমন যে থাক তুমি
কিছুতে হয় না জানা।
নিশিরাতে মন তোমার কেমন যে করে
কেমন-বা করে আউলা বাতাসে মন
জানি না তোমায় আমি কিছুতেই কিছু।

ভালোবাসার-গন্ধ বুকে কেমন যে থাকো একা
কেমন যে কাটাও প্রহর, বেলা
মেলিয়া করুণ চোখ তাকাও উদাস কোন্ দূরে
ঘুম ভেঙ্গে গেলে কখনো হঠাৎ
কার কথা মনে পড়ে যে তোমার
হয় না কিছুই জানা।

কিছুই হয়না জানা
কেমন যে আছো, কেমন যে থাক তুমি
ভালোবেসে ভেজা চোখে কীভাবে তাকাও
ওই বুকে কার জন্যে ভালোবাসা-নদী
কার জন্যে কষ্ট বুকের ভেতরে
না .. হয় না জানা কিছুতেই
কিছুতেই কিছু জানি না তোমায়।


সংগৃহীত

রবিবার, ৩১ জুলাই, ২০১১

Friendship Poem, romantic Poem আমি তোমার বন্ধু নই, যদি……………


আমি তোমার বন্ধু নই, যদি……………
আমার সাথে কথা বলতে হলে আগে তোমাকে ভাবতে হয় ......

আমি তোমার বন্ধু নই, যদি……………
আমার উপস্থিতি তোমাকে অস্বস্তিতে ফেলে দেয় ..............

আমি তোমার বন্ধু নই, যদি……………
তোমাকে সাহায্য করার জন্যে আমাকে বলা যায় কিনা এমোন ভাবছো …………..

আমি তোমার বন্ধু নই, যদি……………
তোমার জীবন সম্পর্কে ধারনাগুলোর কথা আমি জানতে উৎসুক হবো কিনা, এ নিয়ে তুমি ভাবনায় পড়..................

আমি তোমার বন্ধু নই, যদি……………
আমি যা বলি তুমি তা-ই শোন কিন্তু কখোনই বোঝনা, কি আমি বলতে চাইনি ............

আমি তোমার বন্ধু নই, যদি……………
এমোনটা ভাবো যে, তোমার ব্যথায়, তোমার কষ্টে আমার চোখে দু’ফোটা জল ঝরবেনা..............
আমি তোমার বন্ধু নই, যদি……………
ভাবো তোমার বিরহে, আমি তোমা হতে দূরে থাকার ব্যাথা অনুভব করি না........
আমি তোমার বন্ধু নই, যদি……………
তুমি না দেখতে পাও, তোমার মুখের একটু হাসির জন্যে আমি কি না করেছি ..........

আমি তোমার বন্ধু নই, যদি……
তুমি না জানো, সেই মুখের হাসিটুকুই যে আমার দিনগুলোকে আলোকিত করে রাখে.........

আমি তোমার বন্ধু নই, যদি……
তুমি কখোনও ভেবে থাকো , যে হাত তুমি ধরেছো তা উষ্ণতা ছড়াবে তো ?...............

আমি তোমার বন্ধু নই, যদি………
এমোনই দ্বিধায় পড়ে যাও, তুমি শুধু দু’বাহুতেই বাঁধা পড়ে আছো – বুকের মধ্যিখানে নয়.......
আমি তোমার বন্ধু নই, যদি……………
আমার সাথে দু’পা হাটতে গেলে তোমার মনে হয়, অনেকটা পথ হাটা হয়েছে.............

আমি তোমার বন্ধু নই, যদি……………
কথা বলতে তুমি মরে যাচ্ছো অথচ বলছোনা, চুপ করে আছো..........

আমি তোমার বন্ধু নই, যদি……………
তুমি কখোনও আমাকে প্রশ্ন করো, কাকে আমি বেশী ভালোবাসি................

আমি তোমার বন্ধু নই, যদি……………
তুমি দীর্ঘ সময় নাও এটা বলতে যে, আমি তোমার কতোখানি  

আমি তোমার বন্ধু নই, যদি……………
আমার ভুলে ফিরিয়ে নাও, আমার থেকে মুখ ........

আমি তোমার বন্ধু নই, যদি……………
যদি দূরে সরে যাও, আমায় পিছু ফেলে.........

আমি তোমার বন্ধু নই, যদি……………
যদি আমার উপর অভিমান করে, তোমার সাথে আমায় পথ চলতে বাধ্য না কর,

আমি তোমার বন্ধু নই, যদি……………
আমাকে তোমার থেকে দূরে সরে যেতে দাও,


From Somewhereinblog.net

Romantic Poem, Love Poem

সদা তুমি

তোমার বাহুতে সকল অনুভূতি গিয়ে মিশে মোহনার ন্যায়
তোমার বুকে হারে সব শক্তি/
তোমার চোখে অন্ধ হই আমি
হাসিতে দেখি সকল সুখের তৃপ্তি
বুকের সুউচ্চ গাথুনিতে লুটাই অবিরত
তোমার গ্রীবায় আমার ঠোট চেখে নেয় সকল ব্যথা
আমার শিহরণের, বাসনার উৎস তুমি
তোমার মাঝে হারাই নিয়ত,
ডুবি গহীনে অসীম আস্বাদে
সুতীবতায় প্রতিটি চুম্বন তোমার ঠোটে নেয় আশ্রয়
তোমার উত্তাপে আলো ছড়াও আমার ভিতরে
আলোর লেহনে মত্ত আমি
পৃথিবীর আদিম অমিয় সুধার আনন্দে
বারবার তোমারেই চাই আমার আপনে
চিরতরে চির আপন করে নিবিড়ে

By :

শাহানূর

বুধবার, ২৭ জুলাই, ২০১১

Tumi na thakle sokal ta ato :: তুমি না থাকলে সকালটা এতো মিষ্টি হতো না

তুমি না থাকলে সকালটা এতো মিষ্টি হতো না
তুমি না থাকলে মেঘ করে যেত বৃষ্টি হতো না
তুমি না থাকলে মন কষাকষি, করে হাসাহাসি নাক ঘষাঘষি
Cরাপা রাপপাপপা রাম পাম পা।

তুমি না থাকলে চাঁদটার গায়ে পড়ে যেত মরচে
Cতুমি না থাকলে কিপটে লোকটা হতো না যে খরচে
তুমি না থাকলে স্বপ্নের রং হয়ে যেত খয়েরী
Cবনবন করে দুনিয়াটা এই পারতো না ঘুরতে
তুমি না থাকলে রবীন্দ্রনাথ কালির দোয়াত মাথায় ঠুকে হতো কুপোকাত
Cরাপা রাপপাপপা রাম পাম পা।

তুমি না থাকলে সুমন কেলেঙ্কারী করতো কত
গীটার ফেলে গুয়েতেমালায় নামটা শেখাতে হতো
পাশের বাড়ির মেয়েটা পাশের পাড়ার ছেলের সাথে
তুমি না থাকলে এইভাবে কি বাড়িটা ছেড়ে পালাতো
তুমি না থাকলে তাজমহলটা বানানোই হতো না
লাঠালাঠি এই কাটাকাটি কিছু থামানোই যেত না
তুমি না থাকলে মোনালিসা কবে হয়ে যেত গম্ভীর
তুমি না থাকলে তোমার চিঠি জমানোই হতো না
তুমি না থাকলে রোমিও কবে
হোমিওপ্যাথির দোকান খুলে জমিয়ে দিতো
রাপা রাপপাপপা রাম পাম পা।

ডাউনলোড তুমি না থাকলে

Coffee House er sei adda ta aj ar nei :: কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই

কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই

কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই
আজ আর নেই,
কোথায় হারিয়ে গেল
সোনালী বিকেলগুলো সেই
আজ আর নেই ।

নিখিলেশ প্যারিসে, মঈদুল ঢাকাতে
নেই তারা আজ কোন খবর,
গ্র্যাণ্ডের গীটারিস্ট গোয়ানীস ডিসুজা
ঘুমিয়ে আছে যে আজ কবরে।

কাকে যেন ভালোবেসে আঘাত পেয়ে যে শেষে
পাগলা গারদে আছে রমা রায়,
অমলটা ধুঁকছে দুরন্ত ক্যানসারে
জীবন করে নি তাকে ক্ষমা হায় ।

সুজাতাই আজ শুধু সবচেয়ে সুখে আছে
শুনেছি তো লাখ্ পতি স্বামী তার ,
হীরে আর জহরতে আগাগোড়া মোড়া সে
গাড়ীবাড়ী সবকিছু দামী তার।

আর্ট কলেজের ছেলে নিখিলেশ সান্যাল
বিজ্ঞাপনের ছবি আঁকতো,
আর চোখ ভরা কথা নিয়ে
নির্বাক শ্রোতা হয়ে
ডিসুজাটা বসে শুধু থাকতো ।

একটা টেবিলে সেই তিন চার ঘন্টা
চারমিনারটা ঠোঁটে জ্বলতো ,
কখনো বিষ্ণু দে কখনো যামিনী রায়
এই নিয়ে তর্কটা চলতো।

রোদ ঝড় বৃষ্টিতে যেখানেই যে থাকুক
কাজ সেরে ঠিক এসে জুটতাম ,
চারটেতে শুরু হয়ে জমিয়ে আড্ডা মেরে
সাড়ে সাতটায় ঠিক উঠতাম ।

কবি কবি চেহারা কাঁধেতে ঝোলানো ব্যাগ
মুছে যাবে অমলের নামটা ,
একটা কবিতা তার হোল না কোথাও ছাপা
পেলনা সে প্রতিভার দামটা।

অফিসের সোশালে ‘অ্যামেচার’ নাটকে
রমা রায় অভিনয় করতো ,
কাগজের রিপোর্টার মঈদুল এসে রোজ
কি লিখেছে তাই শুধু পড়তো ।

সেই সাত জন নেই আজ
টেবিলটা তবু আছে
সাতটা পেয়ালা অজোও খালি নেই,
একই সে বাগানে আজ
এসেছে নতুন কুঁড়ি
শুধু সেই সেদিনের মালী নেই।

কত স্বপনের রোদ ওঠে এই কফি হাউসে
কত স্বপ্ন মেঘে ঢেকে যায়,
কত জন এল গেলো
কতজনই আসবে
কফি হাউসটা শুধু থেকে যায় ।

কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই
আজ আর নেই,
কোথায় হারিয়ে গেল
সোনালী বিকেলগুলো সেই
আজ আর নেই ।

(সুরঃ সুপর্ণ কান্তি ঘোষ, শিল্পীঃ মান্না দে)

বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই, ২০১১

Bangla Darty Jokes, Funny Jokes, Stupid Jokes

১*
এক ছেলে আরেক ছেলে কে বলতেছে , , ,তোদের এই এলাকার মেয়ে দের কে আমি "smart" ভেবেছিলাম্, কিন্তু এরা তো বেশি "smart" না , ,

আরেক ছেলেঃ" কেন কি করেছে?"

প্রথম জন্ঃ " আমি এক্টা কথা জিগ্গেস করতেই জুতা দিয়ে পিতাইছে,

২য় জন্ঃ "তুই কি জিগ্গেস করেছিলি?"

১ম জন্ঃ আমি তার বিরাল টা কে দেখে ইংলিশ এ জিগ্গেস করছিলাম্,"can i touch ur pussy?"

২।
৮ বছর বয়সের এক ছেলেকে ধর্ষণ মামলায় কোর্টে দাঁড় করানো হয়েছে ।
তার পক্ষের মহিলা উকিল তার লিঙ্গ ধরে জজকে দেখিয়ে বলল, “Your Honour, দেখুন । এই ছেলে কি কিছুতেই ধর্ষণ করতে পারে?”
ছেলেটি নিচু স্বরে উকিলকে বলল, “আরে বেশি ঝাঁকাইয়েন না, কেস হাইরা যাইবেন।“

৩।
আমগো আইজুর বাপ তার ছোট ছেলে আইজুরে খুব মারতেছে দেখে অপর এক ব্যক্তি এসে ছেলেকে মারার কারণ জানতে চাইল।
আইজুর বাপ : ভাই আর কইয়েন না পাশের বাসার মাতারিরে অন্তঃসত্তা কইরা হালাইছে।
অন্য ব্যক্তিটি : , বলল এ মেয়া এইডু পোলা এ কাম ক্যামনে হরলে?
আইজুর বাপ : আর কইয়েন না হালায় মোর কনডমডায় ফুডা কইরা থুইছেলে।!!

রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০১১

Naughty, Darty Jokes in Bangla

1. প্রেমিকাঃ বলো তো ইন্টারকোর্সের সময় ছেলে না মেয়ে কে বেশি আনন্দ পায়?
প্রেমিকঃ অবশ্যই মেয়ে।
প্রেমিকাঃ কেন?!?!
প্রেমিকঃ যখন কাঠি দিয়ে কান খোঁচাও, আরামটা কার লাগে কাঠির না কানের?? :P


2. দুই ঘনিষ্ট বন্ধুর কথোপকথন।
প্রথম বন্ধুঃ আমার স্ত্রীর লিপস্টিকের স্বাদ অন্য মেয়েদের থেকে একদম অন্যরকম।
দ্বিতীয় বন্ধুঃ ঠিক বলেছিস, কেমন যেন কমলা কমলা স্বাদের! :P


3. বিবাহ বিচ্ছেদের মামলায় স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই আদালতে হাজির। হাকিম মিটমাটের একটা প্রাথমিক চেষ্টা করলেন।
প্রথমে স্বামীকে প্রশ্ন করলেন, আপনি কি জন্য বিবাহ বিচ্ছেদ চাচ্ছেন?
আমি চেয়েছিলাম ছেলের বাপ হতে, অথচ ও দুইবারই মেয়ে প্রসব করল।
স্ত্রী হুঙ্কার দিয়ে বলে উঠলেন- মরদের মুরোদ তো ঢের দেখেছি। তোমার ভরসায় থাকলে মেয়ে দু’টিও দুনিয়ার মুখ দেখত না। ;)

4. বই পড়ে হঠাৎই ছোট্ট হৃদয় জানতে পারল যে প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্করই অন্তত একটি করে গোপনীয়তা আছে যেটা কোন মূল্যেই প্রকাশ করতে রাজি নয়। সে মনে মনে ভাবল, এটা নিয়ে খানিকটা মজা করা যাক। সে তার মা’র কাছে গিয়ে বলল, মা আসল সত্যটা কিন্তু আমি জানি। মা চমকে উঠে সঙ্গে সঙ্গে তাকে ৫০ টাকা দিয়ে বলল, খবরদার সোনামানিক, তোমার বাবাকে বলো না! তারপর সে আরেকদিন তার বাবাকে বলে বসল, বাবা আসল সত্যটা কিন্তু আমি জানি। বাবা চমকে উঠে সঙ্গে সঙ্গে তাকে ১০০ টাকা দিয়ে বলল, খবরদার জাদুসোনা তোমার মাকে বলো না! হৃদয় এতে দারুণ মজা পেয়ে গেল। তখনই দেখল তাদের বাড়ির সামনে দুধওয়ালা এসেছে দুধ দিতে। সে তার কাছেও দৌড়ে গিয়ে বলল, চাচা আসল সত্যটা আমি জানি। দুধওয়ালা সে কথা শুনে দু’হাত বাড়িয়ে ছলছল চোখে বলে উঠল- তবে আয় বাবা আয়, তোর আসল বাপের কোলে আয়।B-)


5. বিদেশ থেকে দু’বছর পর বাড়ি ফিরে জয়নাল দেখল তা বউয়ের কোলে ছয় মাসের একটা বাচ্চা।
হাসান তার বউকে বলল, এটা কার বাচ্চা?
কার আবার? আমার।
কী, বলো কে আমার এ সর্বনাশ করেছে? নিশ্চয়ই আমার বন্ধু কাউসার হারামজাদা?
বউ চুপ।
তাহলে নিশ্চয়ই শয়তান কুদ্দুস?
না।
তাহলে বজ্জাত আরিফ?
না, তাও না।
তাহলে কে সে?
তুমি শুধু তোমার বন্ধুদের কথাই বলছ, আমার কি কোন বন্ধু থাকতে পারে না!:-*


6. প্রেমিকার বাড়িতে বেড়াতে এসে প্রেমিক দেখে বাড়ি খালি, শুধু প্রেমিকার ছোট ভাই আছে। তার হাতে বিশ টাকা দিয়ে বলল, যাও সিনেমা দেখে আস।
মাত্র বিশ টাকা? অন্যরা তো পঞ্চাশ টাকার নিচে দেয় না।:P


7. ভাইভা পরীক্ষায়,
শিক্ষকঃ এমন একটা জিনিসের নাম বল যা ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত।
ছাত্রঃ চুল।
শিক্ষকঃ যেমন?
ছাত্রঃ মাথায় থাকলে চুল, চোখের উপরে ভ্রু, ঠোঁটের উপরে গোফ, গালে দাড়ি, বুকে লোম…
শিক্ষকঃ ব্যস ব্যস। তুমি পাস… ;)


8. এক জামাতী এম.পি. প্রার্থী নোমিনেশন জমা দিতে গেছে। যে কোন কারনে ফরমটা ছিল ইংলিশে। একটি খালি জায়গায় লেখা ছিল সেক্সঃ। সে লিখছে, দিনে ২ বার।
এইটা দেখে রিটার্নিং অফিসার একটা ধমক দিছে, কি মিঞা! এই সব কি লিখছেন? এখানে লিখতে হবে ছেলে নাকি মেয়ে। তখন ওই প্রার্থী বলে নাউজুবিল্লাহ্, ছেলে কেন হবে মেয়ে....মেয়ে



9. চায়ের দোকানে আড্ডা হচ্ছে। এক লোক বললেন, ঘটনা শুনেছেন। গত রাতে আমাদের এলাকার মজনু সাহেব বাড়িতে ফিরে দেখেন, স্ত্রী তার এক বন্ধুর সঙ্গে শুয়ে আছেন। তিনি রাগ দমাতে না পেরে সঙ্গে সঙ্গে রিভলবার বের করে গুলি করে দু�জনকেই মেরে নিজেও আত্মহত্যা করলেন।
পাশে বসে থাকা অপরজন বললেন, এটা তো তেমন কিছুই নয়, ঘটনা আরো সাংঘাতিক হতে পারত।
প্রথম লোক বললেন, কি বলেন? এক সাথে ট্রিপল ট্রাজেডি, আর আপনি বলছেন কিছুই না, আরো সাংঘাতিক হতে পারত? তো কি সাংঘাতিক হতে পারত?
দ্বিতীয় জন : গতকাল যদি সোমবার না হয়ে বৃহস্পতিবার হতো তাহলে ঐ গুলিটা আমাকে খেয়েই মরতে হতো।


10 . গ্রামের এক অশিক্ষিত লোক তার গর্ভবতী স্ত্রীকে শহরে নিয়ে এসেছে ডাক্তার দেখাতে। ডাক্তার মহিলাকে চেকআপ করার পরে বললেন, আপনার স্ত্রী গর্ভবতী হন নি। পেটে গ্যাস হয়েছে। লোকটি ডাক্তারের উপর ভীষণ ক্ষেপে গিয়ে বলল, ফাজলামি পেয়েছেন! আমি কি একটা পাম্পার নাকি???

চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয় :: Sad Bangla Poem

 By :হ্যাপি পেঙ্গুইন

চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়
আমি কখনো নদীকে চলে যেতে দেখিনি
আমি কখনো হাওয়াকে
বলে যেতে দেখিনি
ফিরে আসবোনা।

ভালোবাসা কখনো মরেনা........!!



কতদূরে যেতে পারো যাও
-------------------------------
দুঃখ আর প্রতীক্ষার ঝাঁপি খুলে বসে রবো।

পাখিরা ফিরে আসে
মেঘেরাও ঘুরে ফিরে ঝরে যায়।

চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়
আমি কখনো ভালোবাসাকে চলে যেতে দেখিনি।

শনিবার, ১৬ জুলাই, ২০১১

একটু তুমি খোজ নিলেনা :: Love Poem

 Love Poem: By

সাইফ হাসনাত


একটু তুমি খোজ নিলেনা

একটু তুমি খোজ নিলেনা তোমায় ছাড়া
কেমন কাটে অযুত নিযুত রাত,
একটু তুমি খোজ নিলেনা কেমন করে
তোমায় খোজে পাগল দুটি হাত...

কতোজনের ডাক শুনে যে নেমে আসে
অনেক দূরের সুন্দরী খুব পরী,
আমার ডাকে বন্ধ ঘরে ঘুমাও তুমি
একলা আমি ডেকে ডেকে মরি।

বালুর চরে যায় যে ডুবে এমন জীবন
সাগর থাকে অনেক দূরে সরে,
ঢেউয়ের পিছন ছুটতে গিয়ে পথ ফেলে যাই
সীমানা যে মিশে আছে তোমার শরীরে।

ইচ্ছে করে ভেঙ্গে দিলে মনের বাড়ি
কেমন করে আমি এখন মানবো তা,
মনের ভিতর গোপন রাখো ইচ্ছে সবই
কেমন করে আমি বলো জানবো তা।

আমি না হয় কম বুঝেছি সকল কিছু
তবে তোমার জানা ছিলো ঠিকই,
আমার এখন একলা থাকায় কষ্ট অনেক
আগের মতো তুমি আজও স্বাভাবিকই।

একটু তুমি খোজ নিলেনা তোমায় ছাড়া
কেমন এখন আমার সারা বেলা,
আজও তুমি আগেই মতোই করে গেলে
এই আমাকে ভীষণ অবহেলা।


তোমার যেমন ইচ্ছে করে...



যেমন তোমার ইচ্ছে করে
তেমন করেই বাঁচো,
নাচের পুতুল হয়ে গেছো
সূতার টানেই নাচো।

আমার এতো ডাকাডাকি
তোমায় জ্বালায় খুবই,
ভালোবাসায় লোভের মিছিল
আমার খারাপ সবই।

তোমার যেমন ইচ্ছে করে
তেমন করেই থাকো,
হাজার রঙে নতুন মনে
প্রেমের ছবি আঁকো।

আমার আমি বাঁচবো ঠিকই
একলা শালিক হয়ে,
তবু তোমার মন বাড়িতে
যাবোনা ডাক নিয়ে।

ভুলেও যদি আবার তুমি
এই আমাকে ডাকো,
তোমার মতোই ভুলের বসে
আসবো ফিরে নাকো।





 

যখন তখন


যখন থাকি কাছাকাছি
তখন তুমি হাওয়া,
দূরে সরে গেলে আবার
ভুলো গোসল খাওয়া।
ভালোবাসা তোমার কেনো
এমন অগোছালো,
আসলেই কি ভালোবাসো
সত্যি করে বলো।

ভালোবাসি ভালোবাসি
মুখের বুলি না-তো!
এমন কথা কতো লোকে
বলে শত শত।
কষ্ট পেলে আমি তবু
তুমি থাকো ঠিকই,
ভালোবাসার প্রমাণ
তোমার এমনই কি?

ডাকলে কাছে তখন তুমি
কাজে একশোটা,
পরে শুনি কাজটা ছিলো
দেখা টক-শো টা!
এমনই তোমার ভালোবাসা
কোয়াশার মতো,
যায়না ধরা যায়না ছোঁয়া
চেষ্টা অবিরত...


মেঘে মেঘে যায় বেলা

 মেঘে মেঘে বেলা কেটে যায়
শুনে শুনে অবেলার ডাক,
বৃষ্টিজলে ভিজে ভিজে একাকার
অচেনা পাখির ঝাক।
জানলার ফাঁক গলে চলে আসা
পথ ভোলা বাতাসে
তোরে আজ খুজে বেড়াই,
মিছেমিছি ভালোবেসে...

জানি তোর মনজুড়ে
একটুও নেই আমি,
পারিনা তবু ছাড়তে-
তোরে চাওয়ার পাগলামি।
যাবে দিন যাবে রাত,
আমাকে ভুলে যাবি তুই
খুব মনে চায় আজকে আবার
বুকে টেনে তোরে ছুঁই।

মেঘে মেঘে বেলা কেটে যায়
রেখে যায় তোর ডাকনাম
একটুও তুই দিলিনা রে সাড়া,
কতো ভাবে ডাকলাম।
এমনও হয় ভালোবাসা-
দেয় জাগিয়ে আহাজারি
ভালোবাসা ভালো খুব,
ভালো নয় বাড়াবাড়ি...





 http://www.somewhereinblog.net/blog/SaifHasnat

বুধবার, ১৩ জুলাই, ২০১১

Bangla Jokes : Bangla Kobita & Jokes

1. এক লোক রাতের বেলা FTV তে ফ্যাশন শো দেখছিলো…
হটাৎ ছেলে এসে রুমে ঢুকে পড়ল…
অপ্রস্তুত হয়ে লোকটি ছেলেকে বলল, “বেচারা গরীব মেয়েরা, কাপড় চোপড় কেনার পয়সা নাই…”
ছেলেঃ “এর চেয়ে গরীব মেয়ে দেখতে চাইলে,আমার কাছে সিডি আছে,নিয়ে দেখতে পারো…..”

2. গৃহকর্ত্রী : তুমি গত তিন দিন কাজে আসোনাই ক্যান??
কাজের বুয়া: আমিতো ফেসবুক এ স্ট্যাটাস দিসিলাম যে আমি বাড়ি যাচ্ছি…।
গৃহকর্ত্রী : ও’মা, তুমি ফেসবুক চালাও নাকি??
কাজের বুয়া: ক্যান, আপনি জানেন না? আপনার সাহেব তো কমেন্টও দিসে – ‘miss u’!!!


3. প্রেমিক- প্রেমিকা সি.এন.জি এর পিছনে 'প্রেম' করছিলো... তো সি.এন.জি ওয়ালা পিছে তাকিয়ে দেখছিল...তো হঠাৎ সি.এন.জি গিয়ে এক ল্যাম্পপোস্ট এর সাথে ধাক্কা খেল...
সি.এন.জি ওয়ালা বলল ...
"শালা...এখন বুঝলাম... টাইটানিক কেন ডুবেছিল"....... ;)

4. ২ বন্ধু রাস্তা তে হাটতে গল্প করছিলো...
উলটো পাশ থেকে ২ টা মেয়ে আসছিলো...
হটাৎ ১ম বন্ধুঃ " সর্বনাশ...আমার বউ আর প্রেমিকা একসাথে আসছে..."
২য় বন্ধুঃ " হে আল্লাহ... আমারো..."

5. Define, Biology and sociology?
If new born baby looks like his father it is biology,
if he looks like his neighbor then it is called sociology

6. স্ত্রীঃ " ওই মাতাল লোকটাকে দেখেছ???"
স্বামীঃ "কে সে??"
স্ত্রীঃ " ১০ বছর আগে সে আমার প্রেমিক ছিল...আমি তাকে বিয়ে করতে রাজি হই নি.. মানা করে দিয়েছিলাম"
স্বামীঃ " Oh my god... লোকটা এখনো সেটা celebrate করছে !!!"


7. বায়োলজি প্রাকটিক্যাল পরীক্ষা...
শিক্ষকঃ " এই পাখির পা দেখে পাখিটির নাম বলো..."
হাবলুঃ "আমি জানি না..."
শিক্ষকঃ " তুমি ফেইল করেছ... তোমার নাম কি???
হাবলুঃ" আমার পা দেখুন...তাহলেই জানতে পারবেন..."

8. গাইড: আমি আপনাদের নায়াগ্রা জলপ্রপাতে স্বাগত জানাচ্ছি। এইটা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জলপ্রপাত এবং এর পানি পড়ার শব্দ এমন তীব্র যে, ২০টা সুপারসনিক বিমান পাশ দিয়ে উড়ে গেলেও এর আওয়াজ স্পষ্ট শোনা যায়।............. এখন আমি সন্মানিত মহিলা দর্শনার্থীদের চুপ করতে অনুরোধ করছি; যেন আমরা নায়াগ্রার জলপতনের শব্দ শুনতে পারি !!!...:P

9. খরগোশ হাতিকে জিজ্ঞেস করলো তোমার বয়স কত??
হাতিঃ “১৫ বছর”
খরগোশঃ “এত কম??”
হাতিঃ “ I am a complain boy...আমি নিয়মিত Complan খাই তাই বুঝা যায় না
তোমার বয়স কত??”
খরগোশঃ “ ৩০ বছর”
হাতিঃ “এত বেশি!”
খরগোশঃ “আমি Ponds Age Miracle ব্যবহার করি ত...তাই বুঝা যায় না”

10. নার্সারিতে পড়া এক বাচ্চা ছেলে আর এক বাচ্চা মেয়ে তাদের টিচারকে বললো : ম্যাডাম আমাদের মত বয়সে কি কারোও বাচ্চা হয় ??
ম্যাডাম : না , বাবা ।
ছেলেটা তখনই মেয়েটাকে বললো : দেখছো , তুমি শুধু শুধু ভয় পাচ্ছো !!!!!!!!

11. একটা কাপ নিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে ঘরে ঢুকল স্বামী।
তাই দেখে তার স্ত্রী বলল, ‘একি! এত হাঁপাচ্ছ কেন? এই কাপটাই বা কোথায় পেলে?’
স্বামী: দৌড় প্রতিযোগিতায় দুজনকে হারিয়ে এটা পেলাম।
স্ত্রী: মাত্র তিনজন নিয়ে দৌড় প্রতিযোগিতা?
স্বামী: হ্যাঁ, প্রথমে আমি, তারপর পুলিশ আর সবার পেছনে এই কাপটার মালিক !!!!!!!!!

12. এক মহিলা আর দোকানদার এর মধ্যে কথাকাটাকাটি হচ্ছে। হঠাৎ...
মহিলা: আমরা কি কোন বিষয়েই একমত হতে পারি না?
দোকানদার: পারি। ধরুন এক বাসায় আপনাকে রাতে শুতে দেয়া হল।
এক খাটে ২৫ বছরের ছেলে আর এক খাটে ২০ বছরের মেয়ে।
আপনি কার সাথে শোবেন?
মহিলা: মেয়ের সাথে।
দোকানদার: আমিও !!!!!!!!

13. মিলিটারিদের '' সাহস '' পরীক্ষা করছে তাদের প্রধান। এক মিলিটারিকে দুরে দাঁড় করিয়ে রেখে মাথায় লেবু রেখে বন্দুক দিয়ে সেই লেবুটিকে গুলি করল। মিলিটারিটি একদম নড়ল না। লেবুটি ফেঁটে গিয়ে তার শার্টটিকে নষ্ট করে দিল।

তাদের প্রধান তাকে ৫০ টাকা দিয়ে বলছে- ‘সাবাস, এই টাকা দিয়ে সাবান কিনে শার্টটি ধুঁয়ে নিও’।
মিলিটারিটি বলল - ‘তাহলে আরোও ৫০ টাকা দিন, প্যান্টটিও ধুঁতে হবে !!!!!!!!!!!!!!!


14. স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথোপকথন—
স্বামী: পাশের ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে একটু চিনি নিয়ে এসো তো?
স্ত্রী: ওরা আমাদের চিনি দেবে না।
স্বামী: ওরা তো খুব কঞ্জুস!
স্ত্রী: ওদের কিপ্টেমির কথা আর বোলো না।
স্বামী: তাহলে আর কী করা; আমাদের আলমারি থেকেই চিনি বের করে চা করে নিয়ে এসো যাও।



15. বনে খরগোশ আর ভালুক শুধু ঝগড়া করতো।এতে বিরক্ত হয়ে একদিন দেবতা বলল "তোমরা ঝগড়া বন্ধ করো তাহলে তোমাদের তিনটিইচ্ছে পূরণ করা হবে
প্রথমে ভালুকঃ"বনের সব ভালুক মেয়ে করে দাও"তো তাই হল
খরগোশঃ"আমাকে একটা হেলমেট দাও"
তারপর ভালুকঃ"দেশের সব ভালুক মেয়ে করে দাও
খরগোশঃ"আমাকে একটা মোটরসাইকেল দাও"
শেষে ভালুক আনন্দে উত্তেজিত হয়ে বলল "পৃথিবীর সব ভালুক মেয়ে করে দাও"
খরগোশ মোটরসাইকেলে উঠে স্টার্ট দিয়ে বলল "এই ভালুককে gay করে দাও"

তোমারই জন্যে......

 তোমারই জন্যে......
আব্দুল হাসিব

উত্তপ্ত মরুতে বৃষ্টির বন্দনার মতো চেয়েছি

পাওয়া হয়নি কেবল আমি প্রতিক্ষায় থেকেছি

সমুদ্রপানে প্রবাহিত নদীটির মতো ছুটেছি

ছুটতে ছুটতে ক্লান্তিতে আমি শুষ্ক হয়ে উঠেছি

তোমার জন্যে চন্ডীদাসের মতো প্রহর কেটেছে

আমার চোখে কত ক্লান্ত করুণ জ্যোছনা ঝরেছে

উষ্ণ বুকের মাঝে ভালোবাসার দিগন্ত দেখেছি

সেখানেই স্বপ্নময় প্রশান্তির প্রশ্রয় খুঁজেছি

তুমি নীড়ছাড়া নিরুদ্দেশ পাখির মতো উড়েছো

নীলিমায় স্বপ্নবিলাসে কত যে দূর চলে গেছো

তবুও আমার চোখের আলোয় প্রস্ফুটিত স্থির

শুভ্র পদ্মের মতো তোমার মুগ্ধ মায়াবী শরীর

তোমার বিরহে আমার নিঃশ্বাসে খুব কষ্ট পাই

মর্মবেদনে লোকালয় ছেড়ে নির্জনে চলে যাই

সুদূর শূণ্যে পরম সুন্দরের পানে চেয়ে কাঁদি

তোমারই জন্যে বসে বসে কত সুর আমি সাধি